cosmetics-ad

অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধতা দিচ্ছে জর্ডান

Jordan_agreement

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব খন্দকার ইফতেখার হায়দায় বলেছেন, জর্ডানে কর্মরত অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধতা দেওয়ায় প্রক্রিয়া শুরু করেছে জর্ডান। এ প্রক্রিয়া শেষে দেশটির কনস্ট্রাকশন ও কৃষি খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্কাটনের প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সফররত জর্ডান প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক ও এক সমঝোতা চুক্তি সই শেষে এসব কথা বলেন তিনি। দেশটিতে বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে এ সমঝোতা চুক্তি হয়।

ইফতেখার হায়দার বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময় ট্যুরিস্ট ও অন্যান্য ভিসায় গিয়ে ৭ থেকে ৮ হাজার বাংলাদেশি আর ফিরে আসেনি। অবৈধভাবে দেশটিতে কর্মরত থাকা এসব শ্রমিকর বৈধতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জর্ডান সরকার। এর প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে বাংলাদেশ থেকে কনস্ট্রাকশন ও কৃষি খাতে পুরুষ শ্রমিক নেওয়ার সিদ্ধান্তও তাদের রয়েছে।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে জর্ডানেই বাংলাদেশি নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি নিরাপদে রয়েছেন। আজকের বৈঠকে বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ, প্রশিক্ষণ, মেডিকেল চেকআপ ও অবৈধ পুরুষ শ্রমিকদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সচিব বলেন, নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো মেডিকেল চেক আপ অনেক ক্ষেত্রেই জর্ডানের চেক আপের সঙ্গে মিল থাকে না। প্রতিনিধি দলের এ বিষয়টিতে উদ্বেগের কারণে মেডিকেল চেক আপ ডিজিটাল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মেডিকেল চেক আপের সফট কপি বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়, বিএমইটি ও জর্ডানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। শ্রমিকরা যাওয়ার পর তাদের হার্ড কপির সঙ্গে সফট কপি মিলিয়ে দেখা হবে।

সফররত জর্ডানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক গভর্নর ওয়ালিদ আবেদা বলেন, বৈঠকে আমরা বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা, মেডিকেল ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আলোচনা করেছি। মেডিকেল চেক আপের বিষয়টি উভয় দেশের সমন্বয়ে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর নারী শ্রমিকদের প্রশিক্ষণে ভবিষ্যতে প্রতিনিধি দল আসবে ও আমাদের উদ্যোগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে সফররত ৫ সদস্যের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ জনশক্তি রপ্তানি ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক বেগম শামসুন্নাহারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।