cosmetics-ad

মমতার ঢাকা সফর নিয়ে রাহুল গান্ধীর কটাক্ষ

rahul

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশ সফরে যাওয়া নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে কটাক্ষ করেছেন জাতীয় কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধী।

আজ শনিবার কলকাতায় দলীয় কর্মীদের এক সভায় রাহুল গান্ধী বলেছেন, মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে ঢাকায় যান নি মমতা ব্যানার্জী, আর মোদির ডাকে চলে গেলেন। খবর বিবিসি বাংলার

ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গেই ২০১১ সালে ঢাকা সফরে যাওয়ার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর।

কিন্তু প্রায় শেষ মুহূর্তে সেই সফরে মনমোহন সিংয়ের সফরসঙ্গী হতে অস্বীকার করেন মমতা ব্যানার্জী আর ছিটমহল বিনিময় বা তিস্তার জলবন্টন – দুটি বিষয়েরই প্রবল বিরোধিতা শুরু করেছিলেন তিনি।

তার প্রায় চার বছর পর মমতা ব্যানার্জী এখন ঢাকায় গেছেন – প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে – যেখানে ছিটমহল আর অপদখলীয় ভূমি বিনিময়ের জন্য স্থল সীমান্ত চুক্তি সই হয়েছে।

সেই প্রসঙ্গ তুলে কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধী আজ কলকাতায় দলীয় কর্মীদের এক সভায় বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার জন্য মমতা ব্যানার্জীকে অনুরোধ করেছিলেন। তখন তিনি ঢাকা সফরে যেতে অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু এখন মোদীর বেলায় আর একলা চলো রে নীতি নেই। একসঙ্গেই ঢাকায় গেছেন দুজনে।’

দলীয় সমর্থকদের উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধীর বক্তব্য, ‘আপনারা সবাই বোঝেন যে কেন এই বন্ধুত্ব – কিসের সখ্যতা দুজনের।’

রাহুল গান্ধীর ইঙ্গিত ছিল যতই মুখে বি জে পি-র বিরোধিতা করুন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী, তলে তলে দুই দলের বোঝাপড়া চলছে। এই অভিযোগ কংগ্রেস আর বামপন্থীরা বেশ কিছুদিন ধরেই করছেন।

গতবছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে যদিও নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে একাধিকবার কটূক্তি করেছিলেন মমতা ব্যানার্জী, তারপরেও সারদা মামলার তদন্ত প্রসঙ্গেও সেই ধারা বজায় ছিল।

তবে বেশ কয়েকমাস ধরে বি জে পি আর নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে কটূক্তি বন্ধ হয়েছে, দুজনের মধ্যে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে, আর সংসদেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতার সুর বেশ কিছুটা নরম করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যরা।