cosmetics-ad

মনিবের মার থেকে বাঁচতে সিংহের খাঁচায়!

tiger-dog

সিংহের খাঁচা কখনো কারো কাছে নিরাপদ বলে মনে হতে পারে? তাও আবার যার নিশ্চিন্ত আশ্রয় আছে, মাথার ওপর ছাদ, দু-বেলা ভাত-মাংস?

পারে, পারে। না হলে কেনই বা ঘরের চৌহদ্দি ছেড়ে সোজা সিংহের খাঁচায় গিয়ে বসে থাকবে সি মাও! ভয় ডর তো দূরের কথা, খাঁচায় ঢুকে সিংহের সাথে বন্ধুও পাতিয়ে ফেলেছে। মনিবকে এতোই তার ভয়!

অন্যায় যদি কেউ করে, সে তো ভয় পাবেই। সি মাও তাই ভয়ে কুঁকড়ে ছিল। জানত সে, মনিব যদি একবার জানে, আস্ত রাখবে না।

বেচারার ক্ষুধা পেয়েছিল তাই বেহুশ হয়ে মনিবের জন্য রাখা মধ্যাহ্নভোজ নিজেই সাবার করেছে। টনক ফেরে পরে। পিঠে কত ঘা পড়বে তা ভেবেই ভয়ে অস্থির।

কথায় বলে, পেটে খেলে পিঠে সয়। কিন্তু, সেই সহ্য ক্ষমতা নেই বলেই হয়তো মনিব আসার আগেই প্রতিবেশীর ঘরে দৌড় মারে ওই পোষ্য সারমেয়।

কিন্তু পড়বি তো পর গিয়ে সোজা এক সিংহীর খাঁচায়। কারণ, মধ্য চায়নায় যেখানে সি মাওয়ের বাড়ি, তার পাশেই ইউহান চিড়িয়াখানা। অভয়ারণ্যে একমাত্র সিংহীর খাঁচাই খোলা পায় ওই পোষ্য কুকুরটি।

চিড়িয়াখানার এক কর্মী লি কাংবিংয়ের কথায়, ঝেন ঝেন খুব ভালো। ঠাণ্ডা মেজাজের। তাই বাগে পেয়েও কিছু বলেনি গুটিসুটি মেরে থাকা
ওই কুকুরটিকে। বরং, নিজের খাবার থেকে ওকে ভাগ দিয়ে আতিথেয়তা দেখিয়েছে। এটা যদি ঝেন ঝেন না-হয়ে, অন্য সিংহের খাঁচা হয়,
নির্ঘাত মরতে হতো ওই পোষ্য কুকুরটিকে। হয়তো সি মাওকে দিয়েই ভোজ সারত পশুরাজ।