cosmetics-ad

ঢাবি থেকে ৪২ পিএইচডি, ৩৯ এমফিল ডিগ্রি প্রদান

Dhaka-university

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভায় ৪২ জন গবেষককে পিএইচডি এবং ৩৯ জন গবেষককে এমফিল ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।

গত ৩০ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা বলা হয়।

পিএইচডি ডিগ্রিপ্রাপ্ত এবং তাদের তত্ত্বাবধায়করা হচ্ছেন

কলা অনুষদ

বাংলা বিভাগের অধীনে এ. কে. এম. মাহবুবুল হক ও হোসনে আরা, তাদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ।

ইংরেজী বিভাগের অধীনে কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. কাজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধীনে মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ আবদুল মালেক এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সাঈদ-উর-রহমান, সাইয়্যেদ হাফেজ মৌলভী মোহাম্মদ উল্যাহ ও মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ, তাদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ, মো. একরামুল হক, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম।

ইতিহাস বিভাগের অধীনে মো. রফিকুল ইসলাম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. মাহমুদ, মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ এইচ আহমেদ কামাল।

দর্শন বিভাগের অধীনে মোহাম্মদ আলমাস আলী খান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, সিত্তুলা মুনা হাসান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. হারুনার রশীদ।

উর্দু বিভাগের অধীনে মো. আলমগীর হোসেন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. ইস্রাফীল, মিনহাজ উদ্দীন মাহমুদ, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. জাফর আহমদ ভূঁইয়া।

আরবী বিভাগের অধীনে আবু জাফর মুহাম্মদ ইউসুফ, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এবং অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী, মুহা. রফিকুল ইসলাম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. ছিদ্দিকুর রহমান নিজামী।

ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে সালমা নাসরীন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফ।

তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে সুস্মিতা দাস, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন মুন্সী এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. ওয়ায়েস কবীর।

পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধীনে ফারিয়া আফরিন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।

বিজ্ঞান অনুষদ

রসায়ন বিভাগের অধীনে উম্মুল খায়ের ফাতেমা, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. মুহিবুর রহমান।

আইন অনুষদ

আইন বিভাগের অধীনে জাহাঙ্গীর আলম খান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. রিদওয়ানুল হক।

বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ

ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধীনে মো. ইউনুস আলী, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান, মার্কেটিং বিভাগের অধীনে শামসুন নাহার মমতাজ ও ইমরানা ইয়াছমিন, তাদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. রাজিয়া বেগম।

ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধীনে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদ।

একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধীনে নিখিল চন্দ্র শীল, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার।

ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধীনে মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ রাশিদুল হাসান।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মো. মনিরুল হুদা, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসেন।

অর্থনীতি বিভাগের অধীনে এ.কে.এম. গোলাম হোসাইন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এস. এম. আশিকুজ্জামান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. ফাহাদ খলীল।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে হাসানাত জাহান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক কামরুল আহসান চৌধুরী।

জীববিজ্ঞান অনুষদ

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধীনে সন্তোষ কুমার দে, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নূর জাহান সরকার, মো. রবিউল আউয়াল হোসেন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এম. নিয়ামুল নাসের, সুপ্রিয় চাকমা, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, মোহাম্মদ ফারুক মিয়া, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এম. নিয়ামুল নাসের এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ।

মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধীনে শেখ মোতাসিম বিল্লাহ, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ.এইচ.এম. জুলফিকার আলী।

অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মো. শরিফুল আলম জীলানী, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আহসান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক জালাল উদ্দীন আশরাফুল হক।

প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মো. সাজ্জাদুর রহমান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সেরাজ।

ফার্মেসী অনুষদ

ক্লিনিক্যাল ফার্মেসী অ্যান্ড ফার্মাকোলজী বিভাগের অধীনে মো. রবিউল ইসলাম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত।

নাসরীন আক্তার, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, মীর মো. আবদুল্লাহ আল-মামুন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত।

পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধীনে সৈয়দ সফি আহমেদ, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক ভূইয়া, মাহবুবা কাওসার, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম খান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শেখ নজরুল ইসলাম ও ড. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, পারভীন বেগম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শেখ নজরুল ইসলাম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম খান।

এমফিল ডিগ্রি প্রাপ্তরা এবং তাদের তত্ত্বাবধায়করা

কলা অনুষদ

বাংলা বিভাগের অধীনে মোছা. শামিমা নাসরিন ও মো. শহিদুল হাসান পাঠান, তাদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

ইংরেজী বিভাগের অধীনে মো. মুনতাসির মামুন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধীনে মোহাম্মদ শাহাদত হোসেন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউসুফ ইবন হোছাইন, শেখ ফয়জুল ইসলাম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিক আহমেদ, আনজুমান আরা, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. শেখ মো. ইউসুফ।

দর্শন বিভাগের অধীনে মো. রফিকুল ইসলাম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. সালাহউদ্দিন।

আরবী বিভাগের অধীনে মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ।

বিজ্ঞান অনুষদ
গণিত বিভাগের অধীনে মো. আব্দুল আলীম মিয়া, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম।

বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ

ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধীনে মো. সাইফুল হাছান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদ।

ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধীনে অলি আহাদ ঠাকুর, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মুহাম্মদ খোরশেদ আলম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. খন্দকার নাদিরা পারভীন, কে. এম. আতিকুর রহমান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল ওদুদ ভূইয়া, রাহিলা হাশেম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন।

লোক প্রশাসন বিভাগের অধীনে উম্মে জাকিয়া, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন, মো. আলীম উদ্দিন ও খুরশীদ জাহান, তাদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নাজনীন ইসলাম।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মাহমুদা ফাতেমা, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান আলী।

জীববিজ্ঞান অনুষদ

মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধীনে সুমানা জামান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শাহ মোহাম্মদ উল্লাহ।

উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে সেতারা বেগম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এম. ইমদাদুল হক এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকার।

অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মাহবুবা আশরাফী মুমু, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুরুল করিম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ডা. মো. তাহমিনুর রহমান।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে এস এম রুমানা পারভিন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. পারভীন হক।

এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সিলিং সাইকোলজী বিভাগের অধীনে তানজিনা চৌধুরী, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন মেহ্জাবীন হক, সাবরিনা মাহমুদ, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শাহীন ইসলাম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন মেহ্জাবীন হক।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস-এর অধীনে আফসানা হাবিব শিউলী, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক এম. এ. হাফিজ, শামিমা চৌধুরী ও সোনিয়া আরিফা, তাদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক এ কে এম ফজলুর রহমান, রাজা রাম ধুঙ্গানা ও মনসুর আহমেদ সিদ্দিকী, তাদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক লিয়াকত আলী, মো. রিজওয়ান ভূঁইয়া, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক খুরশীদা খানম।

শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে নাজমিন নাহার, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মালেক এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সেলিনা বানু, বিষ্ণু কুমার অধিকারী, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক সালমা আখতার, রেজওয়ানুল আলম, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল খান, লিপিকা জেন কস্তা, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মালেক।

সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর অধীনে জলি আক্তার, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম, কারিশমা আমজাদ, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. তানিয়া রহমান।

ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ-এর অধীনে সাদিয়া আফরিন, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন এবং যুগ্মা-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক সালমা আক্তার, মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধীনে সামিয়া সামস, তার গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শেখ নজরুল ইসলাম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সাইফুল হক। -বাসস।