cosmetics-ad

‘পাসপোর্ট অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চাই’

dg-masud

পাসপোর্ট অধিদফতরের সেবা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র করা প্রতিবেদক অগ্রহণযোগ্য। শুধু পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে যে হয়রানি হয় তা প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করলে এ হার ১০ শতাংশের বেশি হবে না।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁরওয়ে পাসপোর্ট অফিস ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন পাসপোর্ট অধিদফতরের ডিজি মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান। টিআইবি’র প্রকাশিত প্রতিবেদনের ওপর ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মতামত জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে পাসপোর্ট অধিদফতর।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশের সেবাগ্রহীতাদের ৫৫.২ শতাংশ পাসপোর্ট সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম, হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হন। সংস্থাটির এ প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয় দাবি করে মাসুদ রেজওয়ান বলেন, আমরা শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চাই।

মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, আমাদের কোনো কর্মচারী অপরাধ করলে আমরা ক্ষমা করি না। প্রায় ৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিভিন্ন ধরনের শাস্তির আওতায় এনেছি।

তিনি বলেন, পাসপোর্ট আবেদনে সত্যায়নের প্রয়োজন যেন না লাগে, এ জন্য আমরা আইন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করি আমরা শিগগির অনুমোদন পাব। এতে জনগণের ভোগান্তি বহুলাংশে কমে যাবে।

ডিজি বলেন, পাসপোর্ট তৈরিতে কেন নাগরিকরা দালালের কাছে যায়? আপনারা একটু আমাদের কাছে আসেন। দেখুন আমরা সেবা দেই কি না। আমরা সেবা দিতে সদা অঙ্গীকারাবদ্ধ।

অফিসের সামনে দালালের ঘোরাঘুরি সম্পর্কে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের তো ম্যাজিট্রেট পাওয়ার নেই। গত দেড় বছরে অফিসের সামনে থেকে ১১৮৯ জন দালালকে ধরা হয়েছে। তারা সাজা শেষে আবার আসে। তবে আমি মনেকরি জনগণ তাদের কাছে না গেলে এমনিতেই তারা চলে যাবে।

স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র হলে পুলিশ ভেরিভিকেশন প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে এখন লাগবে কারণ রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে এটির প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান।