sentbe-top

‘ইমরান খানের মতোই আগ্রাসী বিরাট কোহলি’

imran-kohliক্রিকেট বিশ্বে এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম? এই প্রশ্নের উত্তরে কিন্তু সবার আগেই উঠে আসবে পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অধিনায়ক ইমরান খানের নাম। খেলার মাঠে যেমন চ্যাম্পিয়ন, রাজনীতির ময়দানেও তিনি চ্যাম্পিয়ন। হয়ে গেছেন পাকিস্তানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি, দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। তাকে নিয়ে তো আলোচনা সবার চেয়ে বেশিই হওয়ার কথা।

তবে, ইমরান খানের পর কে সবচেয়ে বেশি আলোচিত? নিশ্চিত, তিনি ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ট্রেন্টব্রিজে যেভাবে ব্যাটিং করেছেন এবং আগ্রাসী নেতৃত্ব দিয়ে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দলকে জিতিয়েছেন, সে কারণেই আলোচনার টেবিলে দ্বিতীয় নামটি এখন কোহলির। ট্রেন্টব্রিজে জয়ের পর ক্রিকেট মাঠে ইমরান খান যেমন ছিলেন, তার সেই চরিত্রের সঙ্গেই তুলনা চলছে ভারতের বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলির।

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার আসিফ ইকবালও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইমরান খানের মতই আক্রমণাত্মক এবং আগ্রাসী মনোভাবের অধিনায়ক হচ্ছেন কোহলি। ভারতের একটি পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাতে আসিফ ইকবালের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সম্প্রতি অধিনায়ক ইমরান খানের সঙ্গে অধিনায়ক বিরাট কোহলির একটা তুলনা শুরু হয়েছে। এটা কি ঠিক?

জবাবে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘হোয়াই নট? অনেক মিল রয়েছে। দুই জনই প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক। দু’জনই গোটা দলকে অনুপ্রাণিত করতে জানে। দু’জনই বিশ্বাস করে, নিজেরা পারফর্ম করে দলকে উজ্জীবিত করতে হবে। দু’জনের মধ্যেই যে আগ্রাসী মানসিকতা রয়েছে, তা ওরা একান্ত নিজস্ব ভঙ্গিমায় অন্যদের মধ্যে সঞ্চারিত করতে জানে। ইমরান এবং বিরাট দু’জনেই কিন্তু হারার আগে হারতে চায় না। অধিনায়ক ইমরানকেও দেখেছি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করতে। বিরাটও তা করে চলেছে।’

আসিফ ইকবালের একবার বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। ওই সময় ইমরান খান ফোন করে খোঁজ-খবর নিয়েছেন আসিফ ইকবালের। কারণ ইমরান-আসিফ দু’জনই বন্ধু। ইমরান খান ফোন করেছিলেন কি না, সেটা জানতে চাইলে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘কেন করবে না? উই আর গুড ফ্রেন্ডস। এখন ইমরান প্রাইম মিনিস্টার হয়েছে। তাই হয়তো ওর হাতে সময় বেশি থাকবে না। ব্যস্ততা বেড়েছে; কিন্তু এটুকু জানি, যে কোনও প্রয়োজন হলে, ইমরান অবশ্যই আমাকে টেলিফোন করবে। আমি কিন্তু বাইপাস সার্জারির পর আর পাকিস্তান যাইনি।’

আসিফ ইকবালের কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান কতদূর যেতে পারেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘ যতটা যাবে, ততটাই পাকিস্তানের লাভ। কারণ, আমাদের দেশটা প্রায় তলানিতে পৌঁছে গিয়েছিল। ইমরান এসে হাল ধরছে। আমি তো অনেক পজিটিভ ব্যাপার-স্যাপার হবে বলেই বিশ্বাস করছি।’

সৌজন্যে- জাগো নিউজ

sentbe-top