বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যোগ্যতা সম্পন্ন ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য নতুন ‘এনএইচএস ভিসা’ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত দেশটির ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসে (এনএইচএস) জনশক্তির ঘাটতি মেটাতে এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর জনসনের পক্ষে তার নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভ পার্টির সরকারের পার্লামেন্ট শুরুর ভাষণে ওই ভিসার কথা নিশ্চিত করেছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
তিনি বলেন, ‘ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের জনশক্তি বৃদ্ধি ও তাদের সহায়তায় পদক্ষেপ নিতে হবে আর নতুন ভিসা যোগ্যতা সম্পন্ন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের দ্রুত যুক্তরাজ্যে প্রবেশ নিশ্চিত করবে’। রানি এলিজাবেথ বলেন, একটি আধুনিক, ন্যায্য, পয়েন্ট ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা সারা বিশ্ব থেকে দক্ষ কর্মীদের স্বাগত জানানোর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি, জনগোষ্ঠী ও সরকারি সেবায় অবদান রাখা হবে।
জানা গেছে, ব্রিটিশ সরকারের সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী ‘এনএইচ পিওপিল প্লান’র আওতায় যোগ্যতা সম্পন্ন চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের এনএইচএস-এ চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হবে। আর যারা স্বীকৃত মান অনুযায়ী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হবে তাদের ‘ফার্স্ট ট্র্যাক’ ভিসা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তাদের ফিসা ফি কমবে আর যুক্তরাজ্যে যাওয়ার বিস্তারিত সহায়তা দেওয়া হবে।
রানি এলিজাবেথের ভাষণে সরকারের বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নও রয়েছে। ভাষণে বলা হয়, মন্ত্রীরা ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতি গুলোর সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা শুরু করবে। এ ছাড়া রানির ভাষণে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট দফতর বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।














































