শনিবার । মার্চ ২১, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক শিক্ষা ১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
শেয়ার

নতুন বছরে নতুন বইয়ের ঘ্রাণ


নতুন শিক্ষাবর্ষ ২০২৬-এর প্রথম দিনেই আজ নতুন পাঠ্যবই প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।

তবে গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বড় ধরনের বই উৎসবের আয়োজন করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা আজ সরাসরি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নতুন বই সংগ্রহ করতে পারবে। প্রাথমিক স্তরের বই বিতরণ কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হলেও মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে বছরের প্রথম দিনই সব বই পৌঁছানো নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৮ কোটি ৫৯ লাখ বই মুদ্রণ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্তরের প্রয়োজনীয় সকল বই ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট সময়ে ছাপা, বাঁধাই ও কাটিং শেষে দেশের প্রতিটি উপজেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ফলে আজ বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় বইয়ের সম্পূর্ণ সেট হাতে পাবে। প্রাথমিক স্তরে বই বিতরণে এনসিটিবি এবার বিশেষ তৎপরতা দেখিয়েছে যাতে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
অন্যদিকে মাধ্যমিক, দাখিল, দাখিল–ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তরের বই সরবরাহের ক্ষেত্রে এনসিটিবি কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, মাধ্যমিক স্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ এখনো চলমান। এখন পর্যন্ত এই স্তরের বইয়ের মাত্র ৫৮ শতাংশের বেশি অংশ উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।

এর ফলে বছরের প্রথম দিনে মাধ্যমিকের সব শিক্ষার্থীর হাতে সব কটি বই পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে এনসিটিবি আশ্বাস দিয়েছে যে, বাকি বইগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন করে প্রতিটি স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে যাতে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা তাদের পুরো সেট বই পেয়ে যায়।