
ছবি: সংগৃহীত
চলতি শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ে ২০১৪ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচন ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্সে জালিয়াতির ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, গণমানুষের প্রত্যাশা, পরবর্তী শাসনতান্ত্রিক ঘটনা এবং জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের তথ্যও ইতিহাসের পাঠে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, বয়স অনুযায়ী বিষয়বস্তুর পরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থাকলেও সপ্তম থেকে দশম শ্রেণিতে বিস্তারিতভাবে গণআন্দোলন, জুলাই বিপ্লব ও শহীদ আবু সাঈদের ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নবম ও দশম শ্রেণির বইয়ে বলা হয়েছে, গণমানুষের প্রত্যাশা ছিল স্বাধীনতা-উত্তর দেশে আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষা। কিন্তু একদলীয় শাসন, ভোটারবিহীন নির্বাচন ও ভোট ডাকাতির মাধ্যমে জনগণকে প্রতারণা করা হয়। ২০২৪ সালে নির্বাচনের প্রহসনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ২০৪১ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার রোডম্যাপ তৈরি করলেও জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করে।
এছাড়া পাঠ্যবইয়ে শিক্ষার্থীদের বয়স ও বোঝাপড়ার জন্য তথ্যের কলেবর ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবারের সংশোধিত বইয়ের লক্ষ্য, তরুণ প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানানো ও গণআন্দোলনের গুরুত্ব বোঝানো। এনসিটিবি প্রধান সম্পাদক ফাতিহুল কাদীর জানান, বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে বইগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে।















































