
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কন হি
ঘুষ গ্রহণের দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কন হিকে ২০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বুধবার দেওয়া রায়ে শেয়ার কারসাজি ও অন্যান্য অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
৫৩ বছর বয়সী কিমকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। ঘুষ, প্রভাব খাটানো এমনকি একাডেমিক জালিয়াতির অভিযোগ তার স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের পুরো শাসনামল জুড়েই আলোচনায় ছিলেন।
বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী দুজনই কারাগারে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ ঘোষণার পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির জন্য ইউন সুক ইওল আটক রয়েছেন। আর কিম দুর্নীতির দায়ে কারাবন্দী রয়েছেন।
বুধবার সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক উ ইন-সুং কিম কন হিকে দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ মাসের কারাদণ্ড দেন।
রায়ে বলা হয়, তিনি ইউনিফিকেশন চার্চ নামে একটি ‘কাল্টসদৃশ’ ধর্মীয় গোষ্ঠীর কাছ থেকে বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ছিল একটি শ্যানেল ব্যাগ ও গ্রাফ ব্র্যান্ডের একটি নেকলেস।
তবে শেয়ার কারসাজি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচনী অর্থায়ন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়।





































