
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েল সরকার পশ্চিম তীরের বিস্তীর্ণ এলাকা ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ১৯৬৭ সালে এই অঞ্চল দখলের পর এটি প্রথমবারের মতো নেওয়া এমন পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং আরব দেশগুলো এই সিদ্ধান্তকে ‘বৃহৎ ভূমি দখল’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানায়, প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। সরকারি ঘোষণার আগে দৈনিক ইসরায়েল হায়োম জানিয়েছিল, এরিয়া সি-র ১৫ শতাংশে ধাপে ধাপে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
ওসলো-২ চুক্তি অনুযায়ী, এরিয়া এ ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রণে, এরিয়া বি-তে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ থাকলেও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করবে ইসরায়েল। এরিয়া সি-এর প্রায় ৬১ শতাংশে ইসরায়েল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখে।
প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব জমির অন্য মালিকানা প্রমাণিত নয়, সেগুলো রাষ্ট্রীয় জমিতে রূপান্তরিত করা হবে। এর ফলে ইসরায়েল রাজনৈতিকভাবে আইন প্রয়োগ ছাড়াই জমির ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে পারবে।
মিশর, কাতার ও জর্ডান এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে। মিশরের সরকার এটিকে “বিপজ্জনক উত্তেজনা”, কাতার এটিকে ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণ, আর প্যালেস্টাইন অথরিটি এটিকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি দুর্বল করার পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইসরায়েলের মানবাধিকার সংস্থা ‘পিস নাও’ এই সিদ্ধান্তকে ‘মেগা ল্যান্ড গ্র্যাব’ হিসেবে অভিহিত করেছে।




































