
একদিনে দুই হাজার ১৪৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকার লেনদেন করে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে নগদ
একদিনে দুই হাজার ১৪৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকার লেনদেন করে লেনদেনের নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে ডাক বিভাগের মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ। সদ্য উদযাপিত ঈদুল ফিতরের এক দিন আগে (১৯ মার্চ, ২০২৬) লেনদেনের নতুন এই রেকর্ড গড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ঈদের আগের দিনও (২০ মার্চ, ২০২৬) লেনদেনের একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। সেদিন নগদের মাধ্যমে লেনদেন হয় দুই হাজার ৬৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
এ সময় লেনদেনের সংখ্যাও অন্য সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। সাধারণ সময়ে সব গ্রাহকরা মিলে এক দিনে গড়ে ৭৫ লাখ থেকে ৮০ লাখ বার নগদ ব্যবহার করলেও এই সময়ে কয়েক দিনই লেনদেন সংখ্যা কোটি পেরিয়েছে। ১৯ মার্চ গ্রাহকরা সব মিলে এক কোটি ৬৩ লাখ বার নগদকে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আর পর দিন মোট লেনদেন সংখ্যা ছিল এক কোটি ৫২ লাখেও বেশি।
অবশ্য এক দিনে দুই হাজার কোটি টাকার লেনদেন পেরুনোর ঘটনা নগদের জন্যে নতুন নয়। এর আগেও এমন অনন্য এই মাইলফলক পেরিয়েছে নগদ। তবে এবার সব অংককে পেরিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। দুই দিনে হওয়া এই লেনদেনের মধ্যে অধিকাংশ লেনদেন হয়েছে ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, সেন্ড মানি, সরকারি ভাতা বিতরণ, মোবাইল রিচার্জ এবং পেমেন্ট খাতে। তবে রেমিটেন্সেরও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এর মধ্যে রয়েছে।
লেনদেনের সংখ্যা ও টাকার অংকে নতুন রেকর্ড হওয়া উপলক্ষ্যে গ্রাহকদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নগদে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের কারণেই লেনদেনের এই রেকর্ড গড়া সম্ভব হয়েছে। ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন প্রতিষ্ঠান হিসেবে, বর্তমানে নগদ আরো উন্নত সেবা দেবার কারণে গ্রাহকের আস্থা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলশ্রুতিতে লেনদেনও বৃদ্ধি পাচ্ছে।” উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সামনের দিনগুলোতে নগদ গ্রাহকদের জন্য আরো আধুনিক সেবা নিশ্চিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মো. মোতাছিম বিল্লাহ।
সাত বছর আগে যাত্রা শুরু করা নগদের এখন পরিণত এক মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা নগদের তিন লাখ উদ্যোক্তা পয়েন্ট প্রতিদিন কোটি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। উদ্ভাবনী সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আর্থিক খাতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন ঘটিয়েছে নগদ।
সরকারের ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ; প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অনুদান বিতরণ, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন সহায়তা ও ভাতার টাকা স্বচ্ছতার সঙ্গে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বিতরণ এবং সরকারের অন্যান্য যে সব ভাতা ও অনুদান বিতরণ হবে সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নগদ।











































