
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষিতে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের একক কূটনৈতিক ও সামরিক বিজয় হিসেবে দাবি করেছে হোয়াইট হাউস। ওয়াশিংটনের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাফল্যের কারণেই এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পথ তৈরি করবে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঠিক নেতৃত্ব ও সামরিক পদক্ষেপের ফলেই এই বিরতি নিশ্চিত করা গেছে। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প শুরুতেই ধারণা করেছিলেন এই যুদ্ধ চার থেকে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে এবং কার্যত ৩৮ দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রধান সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন ও অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে।
লেভিট আরও উল্লেখ করেন, “আমাদের সামরিক বাহিনীর অভাবনীয় সাফল্য প্রতিপক্ষের ওপর সর্বোচ্চ কৌশলগত চাপ সৃষ্টি করেছে। এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার দলকে কঠিন টেবিলে বসে আলোচনা করার সুযোগ করে দিয়েছে, যার ফলে এখন একটি কূটনৈতিক সমাধান ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।” এছাড়া ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে বলেও দাবি করে হোয়াইট হাউস।
অন্যদিকে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তেহরানের দাবি, যুদ্ধের প্রায় সব লক্ষ্য অর্জিত হওয়ায় তারা এই দুই সপ্তাহের বিরতি মেনে নিয়েছে। একই সঙ্গে মাঠের বিজয়কে রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সুসংহত করতে তারা পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। দুই দেশের এই সমঝোতা বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধাতঙ্ক কিছুটা হলেও প্রশমিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।








































