
ফাইল ছবি
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কে কতটা ছাড় দিয়েছে—এ নিয়ে চলমান বিতর্কই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার পথ তৈরি হচ্ছে, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষই দাবি করছে যে অন্য পক্ষ বেশি ছাড় দিয়েছে। এটি ইঙ্গিত করে যে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে এবং একটি কার্যকর সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ইরান শুরুতে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান চেয়েছিল, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নয়। তবে এখন তারা দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া, ইরানকে সম্ভবত মেনে নিতে হচ্ছে যে লেবানন এই আলোচনার অংশ নয়, যা ইসরায়েলের কারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও বেশ কিছু দাবি ছিল। তারা চেয়েছিল, ইরান থেকে আর কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা না হোক। তবে বাস্তবে ইরানের এখনো ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রয়েছে।
পারমাণবিক ইস্যুতেও এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। প্রায় ৪৪০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনো ইরানের কাছে রয়েছে এবং ইরান দাবি করছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না।
এদিকে, যুদ্ধ শুরুর সময় যে বিষয়টি বড় ইস্যু ছিল না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে—হরমুজ প্রণালি। এ নিয়ে এক ধরনের সমঝোতার ইঙ্গিত মিলছে। যদিও ইরান পুরো নিয়ন্ত্রণ নাও পেতে পারে, তবে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কিছু নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে।
সব মিলিয়ে, উভয় পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি দাবি এবং আংশিক ছাড় দেওয়ার প্রবণতা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানের সম্ভাবনা ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।







































