
প্যালান্টির সিইও অ্যালেক্স কার্প
বিতর্কিত টেক জায়ান্ট প্যালান্টির-এর শেয়ারের দাম কমে গেছে। এর কারণ, গেলো সপ্তাহে তারা সামাজিক মাধ্যমে একটি ‘ম্যানিফেস্টো’ বা মতামতের তালিকা প্রকাশ করেছে, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এই লেখায় প্যালান্টির কিছু সংস্কৃতিকে ‘পশ্চাৎপদ’ বা ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করে। তারা দাবি করে, সব সংস্কৃতিকে সমান বলা হলেও বাস্তবে কিছু সংস্কৃতি বেশি উন্নত এবং কিছু পিছিয়ে আছে। এই বক্তব্য অনেকের কাছে আপত্তিকর মনে হয়েছে।
ম্যানিফেস্টোতে আরও বলা হয়, পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে ‘অন্তর্ভুক্তি’র কথা বললেও, সেটি আসলে কী—তা পরিষ্কার নয়। এছাড়া তারা ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি কিছু ক্ষেত্রে অসহিষ্ণুতার সমালোচনা করে এবং জার্মানি ও জাপানকে আবার সামরিক শক্তি বাড়ানোর কথা বলে।

এই লেখাটি মূলত কোম্পানির সিইও অ্যালেক্স কার্পের সহ-লিখিত একটি বই থেকে নেওয়া ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
প্যালান্টির আগে থেকেই বিতর্কে রয়েছে, বিশেষ করে ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নিয়ে। সমালোচকদের অভিযোগ, তাদের প্রযুক্তি গাজায় হামলার লক্ষ্য ঠিক করতে সাহায্য করেছে। কোম্পানিটিও প্রকাশ্যে ইসরায়েলকে সমর্থন করে আসছে।
এই ম্যানিফেস্টো প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই সমালোচনা ও ব্যঙ্গ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে কোম্পানির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, আর সেই কারণেই শেয়ারের দামও কমেছে।
শুধু যুদ্ধ নয়, প্যালান্টিরের স্বাস্থ্য খাতের কাজ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস)-এর সঙ্গে তাদের একটি বড় চুক্তি রয়েছে। দেশটির অনেক স্বাস্থ্যকর্মী ও রাজনীতিবিদ মনে করছেন, একটি বিদেশি কোম্পানির হাতে রোগীদের তথ্য দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
কিছু কর্মী বলেছেন, প্যালান্টিরের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়া মানে এমন একটি কোম্পানিকে সমর্থন করা, যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও নজরদারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এতে রোগীদের আস্থা কমে যেতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেছেন।









































