
জলবায়ু পরিবর্তনকে এই অঞ্চলের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে কৃষি উপদেষ্টা এ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সার্ককে শক্তিশালী করার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। তিনি বলেন, কৃষি এ অঞ্চলের অর্থনীতির মূলভিত্তি এবং এর টেকসই উন্নয়নে আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ডেভেলপমেন্ট পার্টনারস অ্যান্ড ইনভেস্টরস’ সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি), গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন) বাংলাদেশ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই), দক্ষিণ এশিয়ার যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জলবায়ু পরিবর্তনকে এই অঞ্চলের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে কৃষি উপদেষ্টা এ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের সকল দেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার ব্যাপারে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবন্ধ। তারই অংশ হিসাবে সা কার্যক্রম পুনরিজ্জীবিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (সার্ক ও বিমসটেক) রাষ্ট্রদূত এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস্তবভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি। তিনি টেকসই কৃষি উন্নয়নে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার বলেন, সার্ক দেশগুলো কৃষিতে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তবে টেকসই ফল পেতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
আইএফপিআরআই দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক ড. শহিদুর রশীদ কৃষিখাতের বহুমুখী চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। গেইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্যব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও সবার জন্য সাশ্রয়ী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।











































