
ছবি: সংগৃহীত
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের দেওয়া ১৩১ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুপার কনলির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সহজ জয় তুলে নেয় অজিরা।
আজ বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তবে অজি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ১৯ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩১ রান সংগ্রহ করতে সমর্থ হয় স্বাগতিকরা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১০ বল বাকি থাকতেই ১৮.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষ দিকে চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন জেভিয়ার বার্টলেট। এই জয়ের ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।
রান তাড়া করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে শুরুতে আঘাত হানেন শরীফুল ইসলাম। ওপেনার জস ইংলিসকে বোল্ড করে তিনি স্বাগতিক শিবিরে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এরপর দলীয় ৩৮ রানে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শকে তালুবন্দি করেন সেই শরীফুলই। সাজঘরে ফেরার আগে মার্শ করেন ১৪ বলে ১৩ রান।
দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা চাপে পড়লেও দলের জন্য আবারও ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান কুপার কনোলি। টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে তিনি একটি দারুণ জুটি গড়ে তোলেন, যা অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত শক্ত করে দেয়। কনোলি মাত্র ২৭ বলে ৪৭ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে জয়ের একদম কাছাকাছি নিয়ে যান, তবে মাত্র ৩ রানের জন্য ফিফটি মিসের হতাশা নিয়ে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। অন্য প্রান্তে টিম ডেভিডের ব্যাট থেকে আসে ১৬ বলে ২০ রান।
ম্যাচের শেষ দিকে কনোলি ও ডেভিড বিদায় নিলে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা বিপাকে পড়েছিল। তবে ম্যাট রেনশ ও নিখিল চৌধুরীর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে আর কোনো অঘটন ছাড়াই জয় নিশ্চিত হয় সফরকারীদের। ২৮ বলে ১৮ রান করে রেনশ এবং ১৩ বলে ১৮ রান করে নিখিল চৌধুরী অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে আব্দুল গাফফার দুর্দান্ত বোলিং করে ২টি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া শরীফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, শেখ মেহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেন প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করা বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রানের ইনিংস খেলেন শেখ মেহেদী হাসান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান আসে সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে। বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি স্বাগতিকরা। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন জোয়েল ডেভিস এবং অভিজ্ঞ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা।















































