
সংগৃহীত ছবি
মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার এবং সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ভারতের সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতেও এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সমন্বিত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি জানান, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ ঠেকাতে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে সীমান্তভিত্তিক অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নতুন বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) ও টহল পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (টিওবি) স্থাপন করা হয়েছে এবং আরও স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিজিবির বিভিন্ন পোস্টের মধ্যবর্তী দূরত্ব কমেছে এবং টহল কার্যক্রমও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় ইতোমধ্যে ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলায় বিজিবি সদস্যরা দ্রুত সময়ে টহল ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন।
এ ছাড়া সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে চোরাচালান ও অপরাধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতায় উৎসাহিত করতে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।











































