sentbe-top

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা যেতে তিনটি সেতুর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে

২০ জুন ২০১৪:

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা যেতে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আন্ধার মানিক, সোনাতলা ও শিববাড়ী নদীর উপর ৩টি সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

ইতোমধ্যে তিনটি সেতুর নির্মাণ কাজ গড়ে ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে আগামী ২০১৫ সালের প্রথমভাগে এ তিনটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। পদ্মাসেতু, পটুয়াখালীর লেবুখালী সেতু সহ এ তিনটি সেতু নির্মিত হলে দক্ষিাণাঞ্চলের মানুষের বিশেষ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার খুলে যাবে।

8512460218_7c5b4bac13_o_946255367সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্যমতে আন্ধার মানিক নদীর উপরে শেখ কামাল, হাজীপুরে সোনাতলা নদীর উপরে শেখ জামাল ও শিববাড়িয়া নদীর উপরে নির্মিত হচ্ছে শেখ রাসেল সেতু। সেতু তিনটির মধ্যে শেখ রাসেল সেতুর ৭৫ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। শেখ জামাল সেতুর ৫৫ ভাগ এবং শেখ কামাল সেতুর প্রায় ৭০ ভাগ কাজ শেষের পথে।

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা শহর থেকে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার দূরত্ব সড়ক পথে মাত্র ২২ কিলোমিটার। সড়কের অবস্থাও ভাল। তবুও পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় যেতে সময় লেগে যায় টানা দুই ঘন্টা। কখনও তিন থেকে চার ঘন্টাও লাগতে পারে।

আন্ধার মানিক, সোনাতলা ও শিববাড়িয়া নদী তিনটি যেন পথের যাত্রীদের কাছে ভোগান্তির অপর নাম। তবে এ সমস্যা উত্তরণের সময় কাছে চলে এসেছে। দ্রুতগতিতে তিনটি নদীর উপরে নির্মিয়মান সেতুগুলোর কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২৫ ফেব্র“য়ারি এ সেতু তিনটির নির্মান কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সেতু তিনটির নির্মাণ কাজ আগামী ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময় শেষ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

আন্ধার মানিক নদীর উপরে ১৯টি ¯প্যানের উপর ৮৯১ দশমিক ৭৬ মিটার দীর্ঘ শেখ কামাল সেতুটি ৬৫ কোটি এক লাখ ৮৫ হাজার টাকা, সোনাতলা নদীর উপরে ১০টি ¯প্যানের উপরে ৪৮২ দশমিক ৩৭৫ মিটার দীর্ঘ শেখ জামাল সেতুটি ৪৩ কোটি ৪৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা এবং শিববাড়িয়া নদীর উপরে নয়টি ¯প্যানের ৪০৮ দশমিক ৩৬ মিটার দীর্ঘ শেখ রাসেল সেতুটি ২৪ কোটি ৮৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে।

এ সেতু তিনটির নির্মাণ কাজ চলায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষ ঝক্কি ঝামেলাহীন কুয়াকাটা গমনের স্বপ্ন দেখছেন।

কুয়াকাটার সমুদ্রে পূব আকাশে ভোরের সাগর¯œাত সূর্যোদয়, আর সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সাগরের জলরাশিতে ডুবে যাওয়া সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখতে পর্যটক ও দশনার্থীদের আর দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে না।
স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী বেলাল হোসেন জানান, ২০১৪ সালের মধ্যে মূল সেতুর অধিকাংশ কাজ প্রায় শেষ হয়ে যাবে। বাকি থাকবে এপ্রোচসহ বিউটিফিকেশনের কাজ।

sentbe-top