
রাজধানীর উত্তরায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরের দিকে একে একে সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
বার্ন ইনস্টিটিউটের উর্ধতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উত্তরা দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬০ জন রোগী ইনস্টিটিউট এসেছে। বেশির ভাগ রোগীর অবস্থা গুরুতর। সবার চিকিৎসা চলছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
সোমবার দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে একের পর এক রোগী আসছেন। চিকিৎসকরা দ্রুত তাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা দিতে তোরজোড় করতে দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, এই মুহূর্তে প্রচুর রোগী আসছে, এখন কথা বলা যাবে না।
এদিকে বিমান দুর্ঘটনায় বিমানের পাইলট তৌকির মারা গেছেন। তৌকির পাবনা ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। এক বছর আগেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি।
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট। পাশাপাশি উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও র্যাবের সদস্যরা।
এর আগে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান উত্তরায় বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটি দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করে।




































