শুরু হয়েছে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। বাংলাদেশ সময় রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২৮ মিনিটে শুরু হওয়া এ গ্রহণ চলবে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পর্যন্ত। আকাশ মেঘমুক্ত থাকায় বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাচ্ছে এ বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, চন্দ্রগ্রহণটি আজ রাত ৯টা ২৮ মিনিটে শুরু হয়ে চলবে ভোর পর্যন্ত। গ্রহণের মোট স্থায়িত্ব ৭ ঘণ্টা ২৭ মিনিট। পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে রাত ১২টা ১১ মিনিটে, তখন চাঁদ লালচে বর্ণ ধারণ করবে। পূর্ণগ্রহণ শেষ হবে রাত ১২টা ৫২ মিনিটে।
এবারের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণকে ‘সুপার ব্লাড মুন’ নাম দেওয়া হয়েছে। আকারে সাধারণ সময়ের চাঁদের থেকে সাত শতাংশ এবং উজ্জ্বলতায় পনেরো শতাংশ বেশি হতে পারে এই সুপার ব্লাড মুন।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ব্লাড মুন তখনই তৈরি হয় যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে। পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে, কিন্তু পুরোপুরি অন্ধকার না হয়ে চাঁদ লাল আভায় রঙিন হয়। এর কারণ হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের আলোকে ছেঁকে দেয়। ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল ও বেগুনি আলো ছড়িয়ে যায়, আর বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল ও কমলা আলো চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছে। এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় রে-লি ছিটকানো।
যখন সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে এবং পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এর ফলেই চন্দ্রগ্রহণ ঘটে।
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি পূর্বে ইন্দোনেশিয়ার হিলা দ্বীপ থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমে কেনিয়ার মোম্বাসা বন্দর পর্যন্ত দেখা যাবে। এর বাইরের কিছু এলাকায় আংশিক গ্রহণ দৃশ্যমান হলেও উত্তর আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা থেকে এ দৃশ্য দেখা যাবে না।







































