
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কত আসনে নির্বাচন করবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী দুই–একদিনের মধ্যেই জানানো হবে বলে জানিয়েছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জামায়াত-এনসিপি জোট ইতিমধ্যে মাঠে প্রচারণা শুরু করেছে এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চিফ ইলেকশন অবজারভার আইভার্স ইজাবসের নেতৃত্বাধীন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার ঘাটতি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে কিছু বিশেষ রাজনৈতিক দলকে প্রটোকলসহ বাড়তি সুবিধা দেওয়ায় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে পক্ষপাতের বার্তা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপিকে লক্ষ্য করে কিছু মূলধারার গণমাধ্যমে নেতিবাচক ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। প্রশাসন ও মিডিয়ায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে বারবার দাবি জানানো হয়েছে।
ঋণখেলাপি প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, অনেককে প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যা নিয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
নাহিদ ইসলাম জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ বড় একটি প্রতিনিধি দল পাঠাবে। তারা সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়, যাতে গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর সম্ভব হয়।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় নির্বাচনি মাঠে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, আর এখনো হত্যাকারীরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে।
বৈঠকে এনসিপির অন্যান্য নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ।







































