
গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপের নেতারা। বুধবার হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রতিনিধিদের বৈঠকে এ নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা যায়। কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্যে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সন্তুষ্ট হয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। তিনি ‘গোল্ডেন ডোম’ নামে একটি বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ার কথা জানান, যার জন্য ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই ব্যবস্থা গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রি বা দখলের প্রশ্নই ওঠে না। তবে উত্তর গোলার্ধের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি, নরওয়ে ও সুইডেন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক মহড়া ও ন্যাটোর উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মৌলিক মতবিরোধ থেকেই গেছে। তবে রাশিয়া ও চীনের প্রভাব মোকাবিলায় গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন বলে সবাই একমত। ডেনমার্ক আগামী দিনে আরও যুদ্ধবিমান কেনাসহ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, গ্রিনল্যান্ড দখলের মার্কিন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন রোধে তাঁর সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি




































