
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, জামায়াতসহ ৮ দলীয় জোট গঠনের মাধ্যমে তারা একসঙ্গে এগোচ্ছিলেন। তবে পরবর্তীতে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই জামায়াত অন্যান্য দলকে যুক্ত করে জোটের নেতৃত্ব নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। এতে জামায়াত তাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ইসলামী আন্দোলনের আমির। তিনি বলেন, ইসলামের পক্ষে একটি বড় রাজনৈতিক উত্থানের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা এখন অন্ধকারে পরিণত হয়েছে।
মুফতি রেজাউল করিম আরও বলেন, জামায়াত ইসলামকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের বিষয়ে আন্তরিক নয় বলেই তারা জোট থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি জানান, জাতির সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হাতপাখা প্রতীকে ইসলামের বার্তা তুলে ধরছেন তারা। তাঁর দাবি, যারা মানবতার মুক্তি ও ইসলাম কায়েম করতে চান, বিশেষ করে আলেম-ওলামারা ইসলামী আন্দোলনের পাশে রয়েছেন এবং হাতপাখা প্রতীককে বিজয়ী করতে প্রস্তুত।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্মরণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন পর্যন্ত সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ও আগ্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ভোলায় নারী কর্মীদের ওপর আচরণকে দুঃখজনক উল্লেখ করে মুফতি রেজাউল করিম বলেন, এখনই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে ভবিষ্যতের দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে।
এর আগে জনসভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।









































