
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। সরকার গঠন করেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে বলে আশ্বাস দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উত্তরাঞ্চলের তিন জেলায় নির্বাচনি সমাবেশের অংশ হিসেবে নীলফামারী পৌরসভা মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তিস্তা অববাহিকার মানুষের পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এবং মরুকরণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা বিএনপির অঙ্গীকার।
তারেক রহমান দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীন চলাচল ও ভোটাধিকারের নিশ্চয়তার উপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে।
জনসভায় তিনি নীলফামারী অঞ্চলের উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। জেলার স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে উত্তরা ইপিজেড সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। কৃষি ছাড়া শিল্পের বিকাশ ঘটানোও জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে। ১০ হাজার টাকার কম কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে। সুলভ মূল্যে সার ও কৃষি উপকরণ নিশ্চিত করতে কৃষিকার্ড চালু করা হবে। কৃষিপণ্যভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে কৃষকদের ন্যায্য মূল্য দেওয়া হবে, যাতে তাদের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়ে এবং বেকার যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
দেশ পুনর্গঠনে জনগণের সহযোগিতা কামনা করে তারেক রহমান বলেন, আগামীর রাজনীতি হবে দেশ পুনর্গঠনের রাজনীতি। নির্বাচনে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের ওপর নেতিবাচক মন্তব্য এড়িয়ে চলার কথাও উল্লেখ করেন।
সবশেষে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং নীলফামারীর ভোটারদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক ধরে বিএনপির প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য উৎসাহিত করেন।










































