
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় একজন করে ‘উপজেলা ক্রীড়া অফিসার’ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে একটি শক্তিশালী ও পেশাদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বড় ধরনের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নতুন সরকার। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় একজন করে ‘উপজেলা ক্রীড়া অফিসার’ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক সম্মতি মিলেছে এবং দুই ধাপে এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
প্রথম পর্যায়ে যে ২০১টি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম রয়েছে, সেখানে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং পরবর্তী ধাপে বাকি উপজেলাগুলোতেও একই কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে। এর ফলে মাঠপর্যায়ে শত শত শিক্ষিত তরুণের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের পথ উন্মোচিত হবে।
শুধু প্রশাসনিক পদেই নয়, তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে জাতীয় শিক্ষাক্রমের চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কয়েক হাজার ক্রীড়া শিক্ষকের স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ের খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে, যা অ্যাথলেটদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। এছাড়া নিয়োগের ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের অসাংবিধানিক প্রভাব বা দলীয়করণ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার করেছে মন্ত্রণালয়।
অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পরিকল্পনা রয়েছে বর্তমান সরকারের। দেশের ৬৪টি জেলায় আধুনিক ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশে নিজস্ব ‘ক্রীড়া সরঞ্জাম ইন্ডাস্ট্রি’ স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো সফল হলে ব্যবস্থাপনা, কারিগরি ও প্রশাসনিক খাতে বড় আকারের জনবল প্রয়োজন হবে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান বেকার সমস্যা সমাধানে বড় ভূমিকা রাখবে।
সুষ্ঠু তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের মাধ্যমে ক্রীড়াঙ্গনে একটি আধুনিক ও পেশাদার পরিবেশ গড়ে তুলতে মন্ত্রণালয় এখন একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে।











































