
ফাইল ছবি
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিন শেষে বাংলাদেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমানে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ৩০.৫৮ বিলিয়ন ডলার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, চলতি বছরের শুরু থেকেই রিজার্ভে ধারাবাহিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সই প্রধান চালিকাশক্তি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি তিন মাসে মোট তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
৮ জানুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩২.৪৪ বিলিয়ন ডলার, ১৫ জানুয়ারি বেড়ে দাঁড়ায় ৩২.৩২ বিলিয়ন ডলারে। ফেব্রুয়ারি মাসে আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। বিপিএম–৬ হিসাব অনুযায়ী একই সময়ে রিজার্ভ ২৭.৮৫ বিলিয়ন থেকে ৩০.৫৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, অর্থ পাচার রোধে কঠোর নজরদারি ও পদক্ষেপের ফলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেশি থাকায় অতিরিক্ত ডলার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ক্রয় করছে, যা রিজার্ভ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
উল্লেখ্য, দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ২০২১ সালের আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে কমে গিয়ে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। বর্তমানে রিজার্ভ বৃদ্ধির সঙ্গে দেশের আমদানি ও বৈদেশিক বাণিজ্যও স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে, এবং বাজারে ডলার সংকট নেই।







































