
পুরো প্রজ্ঞাপনটি পর্যালোচনার (রিভিউ) সিদ্ধান্ত নিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক নিরসনে নজিরবিহীন এক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। আজীবন সম্মাননা ও সেরা চিত্রনাট্যসহ বেশ কয়েকটি বিভাগে নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটা এবং বিচারকদের সুপারিশ উপেক্ষিত হওয়ার অভিযোগে পুরো প্রজ্ঞাপনটি পর্যালোচনার (রিভিউ) সিদ্ধান্ত নিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
পুরস্কারের শর্ত অনুযায়ী আজীবন সম্মাননা কেবল জীবিত ব্যক্তিদের দেওয়ার কথা থাকলেও, এবারের তালিকায় নাম এসেছে প্রয়াত তারেক মাসুদ ও আবদুল লতিফ বাচ্চুর। অন্যদিকে, ‘রক্তজবা’ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য না লিখেও একজনের পুরস্কার পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জুরিবোর্ডের দাবি, আজীবন সম্মাননার জন্য তাঁরা অভিনেত্রী শবনম ও ইলিয়াস জাভেদের নাম সুপারিশ করেছিলেন, যা প্রজ্ঞাপনে প্রতিফলিত হয়নি।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার কমিটির সদস্য মকসুদ জামিল মিন্টু জানান, চূড়ান্ত তালিকায় বিচারকদের রায়ের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি। সংগীতশিল্পী ও বিচারক নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি বলেন, “কয়েকটি ক্ষেত্রে আমাদের মতামত উপেক্ষিত হয়েছে। পুরস্কার স্বচ্ছ ও বিতর্কমুক্ত রাখতে আবারও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।”
মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, বিচারকদের দেওয়া নম্বরের সঠিক প্রতিফলন নিশ্চিত করতেই এই পুনর্বিবেচনা। রিভিউ শেষে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল তালিকা পুনরায় প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে জুরিবোর্ড গঠিত হলেও প্রজ্ঞাপন প্রকাশ পেতে প্রায় ১১ মাস সময় লেগেছিল।








































