
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত ২০০ বিলিয়ন ডলার (২০ হাজার কোটি) তহবিল চেয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধের কারণে কমে যাওয়া গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় মজুদ করতেই এই অর্থ প্রয়োজন।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, যুদ্ধ পরিচালনা ও ভবিষ্যৎ সামরিক প্রস্তুতির জন্য বিপুল অর্থ দরকার। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের প্রথম সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১.৩ বিলিয়ন ডলার, যা দ্রুত বাড়ছে।
এদিকে যুদ্ধ মিশন শেষে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান জরুরি অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বিমানটি। প্রতিটি এফ-৩৫-এর দাম প্রায় ৭৭ মিলিয়ন ডলার।
প্রস্তাবিত এই তহবিল ইতোমধ্যেই অনুমোদিত ৮৩৮.৭ বিলিয়ন ডলারের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেটের অতিরিক্ত। ফলে কংগ্রেসে এটি নিয়ে বড় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রিপাবলিকান নেতা মাইক জনসন বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিরক্ষায় পর্যাপ্ত অর্থায়ন জরুরি।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ খরচকে ইরানের মোট জিডিপির অর্ধেকের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক তেলের দাম বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
আগামী কংগ্রেস নির্বাচন সামনে রেখে এই তহবিল অনুমোদন নিয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক লড়াই শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



































