
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের মেগা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের মেগা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।
২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু দৃশ্যমান করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ মার্চ সেতু বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানিয়েছেন, যমুনা সেতুর সংযোগ সড়কগুলো ছয় লেনে উন্নীত হওয়ায় সেতুর ওপর যানবাহনের গতি কমে যাচ্ছে, যা নিরসনে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে বগুড়া-জামালপুর বা গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে দেওয়ানগঞ্জ ঘাটের মতো সম্ভাব্য রুটগুলো নিয়ে সমীক্ষা চলছে।
অন্যদিকে, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া বা আরিচা-নগরবাড়ি পয়েন্টে নির্মিত হতে যাওয়া ৪.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় পদ্মা সেতু রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও মোংলা বন্দরের যোগাযোগকে আরও সহজ করবে।
এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক ‘লাইফলাইন’ ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাপ সামলাতে একটি অত্যাধুনিক এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বর্তমানে সেতু বিভাগের ৫৭টি চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রকল্পের জন্য প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকার বিশাল বাজেট প্রাক্কলন করা হয়েছে।








































