
জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, শাকিব খান ও তাসনিয়া ফারিণ। সংগৃহীত ছবি
ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ছবি ‘প্রিন্স’ দর্শকের প্রত্যাশা পূরণে পিছিয়ে পড়েছে—স্বীকার করলেন স্বয়ং নায়ক। সাউন্ড, কালারসহ বিভিন্ন টেকনিক্যাল সমস্যার মুখে পড়া সিনেমাটি নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন তিনি। মুক্তির ১০ দিন পর এক বিশেষ প্রদর্শনী শেষে রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্টের স্টার সিনেপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দায় দিলেন সময়ের সংকট ও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ, প্রযোজক শিরিন সুলতানা, অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ, জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, ডা. এজাজ, ইন্তেখাব দিনারসহ অনেকে।
শাকিব বলেন, “গল্প শুনেই মনে হয়েছিল, এটি হবে আমার জীবনের অন্যতম বড় সিনেমা। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে আমরা পূর্ণতা দিতে পারিনি। এজন্য নির্মাতাসহ সবার পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি।”
তিনি জানান, ভারতের চিত্রায়ণের অনুমতি তিন মাস পাওয়া যায়নি, পরে আবার সেট ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়—যা সময় নষ্ট করেছে। ফলে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত শুটিং চলায় বেশ কয়েকটি দৃশ্য ও প্রযুক্তিগত অংশ কাঙ্ক্ষিত মানে করা যায়নি। আইটেম গানসহ কিছু দৃশ্য একদিনে শুট করতে হওয়ায় তিনি বিষয়টিকে বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখছেন।
প্রযুক্তিগত জটিলতা প্রসঙ্গে শাকিব জানান, মুক্তির পর প্রথম পাঁচ দিন কোনো মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমাটি দেখানো হয়নি—যা বড় ক্ষতি ডেকে এনেছে। তাঁর ভাষায়, “ঈদের পর পাঁচ দিন আমরা মাল্টিপ্লেক্সে ঢুকতেই পারিনি। অথচ ওই সময়ে তেমন ভালো সিনেমা ছিল না।
নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শাকিব বলেন, সিনেমাকে শুধু ‘নাচ-গানের জায়গা’ ভাবলে চলবে না; সমাজ ও সংস্কৃতি গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই উপযুক্ত সহযোগিতা জরুরি।
এসময় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ বলেন, প্রত্যাশা অনেক ছিল, কিন্তু সময় ও পরিস্থিতির কারণে সেভাবে পূরণ হয়নি। তিনি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের আশা ব্যক্ত করেন।
নির্মাতা হায়াত মাহমুদ জানান, নানা জটিলতায় প্রথম পাঁচ দিন সিনেপ্লেক্সে না চললেও পরে সর্বোচ্চ শো নিয়ে চলছে ‘প্রিন্স’। দর্শকের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক জানিয়ে বলেন, ‘দর্শকরা ইতিমধ্যে প্রিন্স–২ চাচ্ছেন, সময় হলে ঘোষণা দেওয়া হবে।’











































