
সারা টেন্ডুলকার
ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের মেয়ে সারা টেন্ডুলকার বিমানবন্দরে ধারণ করা একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এক পাপারাজ্জি পেজ ভিডিওটির ক্যাপশনে তাকে ‘মোটি’ বলে উল্লেখ করায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন একটি পাপারাজ্জি অ্যাকাউন্ট সারার বিমানবন্দরের ভিডিও পোস্ট করে অবমাননাকর ক্যাপশন ব্যবহার করে। সেখানে তাকে ‘মোটি ওয়ালি সারা’ বলে কটাক্ষ করা হয়। একই পোস্টে তার সঙ্গে থাকা এক নারীকে সারার ভাবি বলেও উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওই নারী উদ্যোক্তা সানিয়া চান্দোক, যিনি নাকি ২০২৬ সালে সারার ভাই অর্জুন টেন্ডুলকারকে বিয়ে করেছেন।
ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকেই মন্তব্য করেন, এ ধরনের ভাষা সামাজিকভাবে বডি শেমিংকে স্বাভাবিক করে তুলছে এবং এটি সাংবাদিকতার সীমা লঙ্ঘন করেছে।
সমালোচনার মুখে সারা টেন্ডুলকার নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিওটি শেয়ার করে সরাসরি প্রতিবাদ জানান। তিনি লেখেন, “তোমরা জঘন্য। এটা সাংবাদিকতা নয়। আমাদের একা থাকতে দাও।”
সারার এ প্রতিক্রিয়া দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বহু ব্যবহারকারী তার অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, বিশেষ করে নারী তারকারা প্রায়ই চেহারা ও শরীর নিয়ে অযাচিত মন্তব্যের শিকার হন। একই সঙ্গে পাপারাজ্জি সংস্কৃতিতে ‘ভিউ’ ও ‘এনগেজমেন্ট’-এর জন্য নৈতিকতার সীমা উপেক্ষা করার প্রবণতা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনলাইন বডি শেমিং নিয়ে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি অভিনেত্রী পাত্রলেখাও সন্তান জন্মের পর শরীর নিয়ে মন্তব্যের সমালোচনা করেছিলেন এবং মানুষের প্রতি আরও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় মুখ ও ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করা সারা টেন্ডুলকারকে প্রায়ই অনলাইন সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। সর্বশেষ এ ঘটনা আবারও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও পাপারাজ্জি সংস্কৃতির সীমারেখা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া















































