
হজযাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি হজের খরচ আরও কমিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
হজযাত্রীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাদের সকল সমস্যা ও বিপদ মোকাবিলা করার তৌফিক দান করেন। সরকারের নেওয়া জনকল্যাণমুখী উদ্যোগগুলো যেন আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, সেই প্রার্থনা করবেন।”
হজের খরচ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “বর্তমান সরকার গঠনের আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এবারের হজ ব্যবস্থার বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করে জনপ্রতি অন্তত ১২ হাজার টাকা খরচ কমিয়েছি। আগামী বছর যাতে হজের খরচ আরও কমানো যায় এবং স্বল্প ব্যয়ে মানুষ পবিত্র হজ পালন করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করব।”

এর আগে রাত ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর এলাকায় পৌঁছে আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হজযাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার খোঁজখবর নেন। হজ ফ্লাইট উদ্বোধনের সময় বিমানেই হজযাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাত শেষে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জ হয়ে রাত ১২টার দিকে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।
উদ্বোধনী এই ফ্লাইটের মাধ্যমে এ বছরের পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। সরকার আশা করছে, এ বছর হাজিরা নির্বিঘ্নে এবং উন্নত ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।






































