
নরেন্দ্র মোদী ।। ফাইল ছবি
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার গুজরাটের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমদানি করা পণ্যের ব্যবহার কমাতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় বিদেশি ব্যয় এড়িয়ে চলতে হবে।
মোদি বলেন, ‘ভারত বিদেশ থেকে নানা পণ্য আমদানির জন্য বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে। একই সঙ্গে আমদানিকৃত পণ্যের দামও দ্রুত বাড়ছে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেমন প্রতিটি ফোঁটা মিলে একটি পাত্র পূর্ণ হয়, তেমনি ছোট-বড় সব প্রচেষ্টাই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বিদেশি পণ্যের ব্যবহার কমাতে হবে এবং দৈনন্দিন জীবনে আমদানিনির্ভরতা হ্রাস করতে হবে।’
এসময় জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপরও জোর দেন তিনি। বেশি বেশি গণপরিবহন ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে ডিজেল ও পেট্রোলের ব্যবহার কমবে।
এ নিয়ে গত কয়েক দিনে প্রধানমন্ত্রী মোদি একাধিকবার জ্বালানি সাশ্রয় ও ব্যয় কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নাগরিকদের আগামী এক বছর সোনা না কেনা, বিদেশ ভ্রমণ স্থগিত রাখা এবং সম্ভব হলে বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এর আগে হায়দরাবাদে এক বিজেপি সমাবেশে তিনি বলেন, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা চাপে রয়েছে। তাই ভারতের উচিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণ এবং জ্বালানি খরচ কমানো।
তবে মোদির জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন, একদিকে সাধারণ মানুষকে পেট্রোল সাশ্রয়ের কথা বলা হলেও অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নিজে টানা রোডশো ও বড় কনভয়ের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলা টেলিগ্রাফ ভিজ্যুয়াল









































