
ছবি: সংগৃহীত
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার বাকি ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড। ম্যাচ তখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকেই গড়াচ্ছিল। কিন্তু ঠিক শেষ মুহূর্তে সব হিসাব-নিকাশ ওলট-পালট করে দিলেন আমাদ দিয়ালো। কাঁটায় কাঁটায় ৯০ মিনিটে এই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ডের করা জাদুকরী গোলে ইকুয়েডরকে হারিয়ে বুনো উল্লাসে মেতে ওঠে আইভরি কোস্ট।
ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে লড়েছে দুই দল। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমজমাট হলেও জালের দেখা মিলছিল না কিছুতেই। গোল পেতে দুদলের খেলোয়াড়দের যেমন চেষ্টার কমতি ছিল না, তেমনি ভাগ্যেরও চরম অভাব ছিল। পুরো ম্যাচে মোট তিন-তিনবার বল গোলপোস্টের বারে লেগে ফিরে আসে।
ম্যাচের প্রথমার্ধের ২২ ও ২৮ মিনিটে দুবার দুর্ভাগ্যজনকভাবে ইকুয়েডরের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। অন্যদিকে, দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে একইভাবে ভাগ্যের ফেরে গোলবঞ্চিত হতে হয় আইভরি কোস্টকে। দুই দলের রক্ষণভাগের ইস্পাতকঠিন লড়াই আর গোলরক্ষকদের একের পর এক অনবদ্য সেভে ম্যাচ যখন গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখনই দৃশ্যপটে আসেন ২৩ বছর বয়সী দিয়ালো।
খেলার ৯০তম মিনিটে বক্সের ভেতর দারুণ পজিশনে বল পান সতীর্থ উইলফ্রেইড সিনগো। তিনি চমৎকার এক পাসে বল বাড়িয়ে দেন আমাদ দিয়ালোকে। সামনে থাকা প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে দারুণ দক্ষতায় বল জালের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন ম্যানইউর এই তরকা। দিয়ালোর এই একমাত্র গোলেই শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানের নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আফ্রিকান পরাশক্তিরা।












































