সোমবার । জুন ১৫, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক শিক্ষা ১৫ জুন ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ন
শেয়ার

যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষাই নতুন প্রজন্মের প্রধান হাতিয়ার: শিক্ষামন্ত্রী


আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কারিগরি ট্রেনিং সেন্টারসহ সার্বিক কারিগরি শিক্ষার বিস্তার অপরিহার্য জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষাই হবে নতুন প্রজন্মের প্রধান হাতিয়ার।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা দেশে কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে নির্মাণাধীন ৩২৯টি নতুন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাজ আগামী দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার শিক্ষা খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায়।

শিক্ষাক্ষেত্রে সেশনজট কমিয়ে আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে দ্রুত পরবর্তী ধাপে যেতে পারে। কলেজ শেষ করেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান শুরু করতে পারবে।

এ সময় তিনি জানান, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফল দুই মাসের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের সব স্কুলে সংশোধিত ও পরিমার্জিত নতুন বই পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে বই হাতে পায়।

কোচিংনির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যেও কাজ চলছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, এমনভাবে নতুন সিলেবাস ও কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে যাতে শিক্ষার্থীদের অযথা কোচিং সেন্টারে যেতে না হয়। শিক্ষার্থীদের শুধু চার দেয়ালের মধ্যে পাঠদানে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না, পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও গুরুত্ব দিতে হবে।