বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে বসবাসকারী ৪ হাজার ৫৭৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী গ্রেফতার করেছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ৫ম অধিবেশনে সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য সংসদে জানান তিনি।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী মালয়েশিয়ায় ২ হাজার ১৩১ জন, সৌদি আরবে ৪৬৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ হাজার ৫১ জন, কুয়েতে ৭৫ জন, বাহারাইনে ১৩ জন, ইরাকে ১২০ জন, দক্ষিণ কোরিয়ার ৫ জন, তুরস্কে ১৪ জন, লেবাননে ১০৪ জন, জাপানে ১৩ জন, মালদ্বীপে ৪০ জন, ওমানে ৫০১ জন, মিশরে ২০ জন, ইরানে ১৭ জন এবং বুলগেরিয়ায় ৬ জন বাংলাদেশি গ্রেফতার হয়েছেন।
আটক এ সব কর্মীদের আইনগত সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে মুক্ত করে দেশে ফেরত আনা হচ্ছে। এ ছাড়া পাসপোর্ট জটিলতা সংক্রান্ত কর্মীদের আউট পাস প্রদানের মাধ্যমে দেশে ফেরত আনা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
এম এ আউয়ালের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৫ পর্যন্ত বিশ্বের ১৬০টি দেশে ৯১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৯ জন বাংলাদেশি কর্মরত আছেন।
তানভীর ইমামের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ২৬ লাখ ৪০ হাজার ৫৩৮ জন কর্মী সৌদি আরবে গেছেন। এরমধ্যে ২০১৪ সালে গেছেন ১০ হাজার ৬৫৭ জন। বিগত পাঁচ বছরে সৌদি আরব থেকে গড়ে ৩ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে।
তিনি জানান, বিএমইটির ছাড়পত্র নিয়ে যুক্তরাজ্যে ১০ হাজার ৬৬ জন, ইতালিতে ৫৫ হাজার ৪৭০ জন গেছে। এ ছাড়া বেলারুশে গত ২ বছরে ১ হাজার ৯৯ জন কর্মী গেছে। শ্রীঘ্রই মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে তথা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে ব্যাপক হারে কর্মী প্রেরণ সম্ভব হবে। সংযুক্ত আরব অমিরাত বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম শ্রম বাজার। সেখানে বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছে।
সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে নারী অভিবাসনের হার বাড়ছে। ২০১৪ সালের শেষে তা দাঁড়ায় প্রায় ১৮ শতাংশে। এ ছাড়া সৌদি আর বেনামমাত্র অর্থ অর্থাৎ ১৫-২০ হাজার টাকায় কর্মী প্রেরণ করার জন্য চুক্তি হচ্ছে। সে দেশে বহু মানুষ যেতে পারবে। এরফলে আমাদের রেমিটেন্স বাড়বে বলে জানান মন্ত্রী।








































