cosmetics-ad

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মুশফিকের অন্যরকম আয়োজন!

mushfiq

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে হঠাত করেই একঝাক শিশুদের পাশে বাংলাদেশ অধিনায়ক। অনেকটা বিনা নোটিশেই আকস্মিক হাসপাতালে মুশফিককে দেখে বিস্মিত হলেন সবাই। অনেকক্ষন সময় কাটালেন, নিজে হাসলেন আবার হাসালেনও অসহায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের। দুস্থ শিশুদের হাতে তুলে দিলেন নানা ধরনের খেলনা। যারপরনাই খুশি হল শিশুরা । এসময় আনন্দাশ্রু ঝরে পড়তে দেখা যায় শিশুদের অভিভাবকদের চোখে মুখেও ।

টেস্ট অধিনায়ক সমাজের বিত্তবানদের আহ্বান জানিয়েছিলেন এই অভিনব মহৎ কর্মযজ্ঞের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ সম্পৃক্ত হতে। এই ভিন্নধর্মী আয়োজনের উদ্যোক্তা প্রাক্তন ক্যাডেট ফোরাম। মুশফিকের জন্য এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়। সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানোর ঘটনায় মাঝেমধ্যেই তার সরব উপস্থিতি সবাইকে অনুপ্রাণিত করে।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামীতে দেশ গড়বে। তারা দেশের সম্পদ। তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের একটি সামাজিক দায়িত্ব। প্রাক্তন ক্যাডেট ফোরামের এই উদ্যোগ সত্যই প্রশংসার দাবি রাখে। আমার চেষ্টা থাকবে সব সময় এমন উদ্যোগের পাশে থাকার।’

মুশফিক আরও বলেছেন, ‘অনেক আগে থেকেই আমি নিজে একটা পরিকল্পনার কথা ভাবছিলাম। বিশেষ করে শিশু-তরুণ-বৃদ্ধদের জন্য একটি ফাউন্ডেশন করার। জানি না, আমার এ স্বপ্নের কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারব। তবে আমি চেষ্টা করে যাব। আর বিত্তবানদের পাশে পেলে নিশ্চয়ই আমার এ উদ্যোগের বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’

উল্লেখ্য, মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন মুশফিক ছাড়াও জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা প্রাক্তন ক্যাডেট ফোরামের প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে সারা দেশ থেকে খেলনা সংগ্রহ করছে প্রাক্তন ক্যাডেট ফোরাম। সেই খেলনাগুলোই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শিশু হাসপাতাল ছাড়াও ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে কয়েকটি স্কুলে খেলনা বিতরণ করেছে প্রাক্তন ক্যাডেট ফোরাম।

ফোরামের প্রধান ফিদা হক জানিয়েছেন, ‘সারা দেশেই ছড়িয়ে দিতে চাই এ কর্মসূচি। আপনারা হয়তো বাচ্চাদের অনেক খেলনা কিনে দিয়েছেন, যেগুলো এখন অব্যবহৃত। রাখার জায়গা নেই বাসায়। সেগুলো সংগ্রহ করে শিশুদের দিতে চাই। ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৬০০ শিশুকে খেলনা দেওয়া হয়েছে।