sentbe-top

এবার রুহানির সঙ্গে বসতে চান ট্রাম্প

trump-ruhaniমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই তিনি ইরানের নেতা হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রস্তুত। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ছয় জাতিগোষ্ঠীর পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার পর উভয় দেশের ক্রমাবনত সম্পর্কের উন্নয়নের ব্যাপারেও আলোচনা করতে চান তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি আলোচনায় বসতে চায়, তাহলে আমরাও আলোচনায় বসবো।’

সোমবার (৩০ জুলাই) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যে কারো সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত। আমি আলোচনায় বিশ্বাস করি। বিশেষ করে সেইসব বিষয়ে যেখানে যুদ্ধ আসন্ন।’ সংবাদ সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে আলেচনায় বসতে তিনি আগ্রহী কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে এসব কথা বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যের পর ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পথ তৈরি হবে; যদি ইরান এবং ছয় বিশ্ব শক্তির পারমাণবিক চুক্তি থেকে গত মে মাসে বেরিয়ে যাওয়া ট্রাম্প আবার চুক্তিতে ফিরে আসেন।

sentbe-adমঙ্গলবার রুহানির উপদেষ্টা হামিদ আবু তালেবি এক টুইট বার্তায় বলেন, ইরানের মানুষের অধিকারের প্রতি সম্মান রেখে শত্রুতার সম্পর্ক হ্রাস এবং পারমাণবিক চুক্তিতে নেয়া পদক্ষেপ প্রত্যাহার করে নেয়াই হতে পারে ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পথ।

মধ্যপ্রাচ্যে জঙ্গিগোষ্ঠীদের সাহায্য এবং ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ওয়াশিংটন। ইরান মধ্যপ্রাচ্যের ইয়েমেন থেকে সিরিয়া পর্যন্ত প্রক্সি যুদ্ধে জড়িয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় ইরানের ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরও পারমাণবিক চুক্তির বাস্তবায়নে ইরান এবং অন্য স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কাজ করে যাচ্ছে।

১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের পর দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানের কোনো নেতার সঙ্গে আলোচনায় বসেননি কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত ইরানের শেষ শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলাভি এর সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনা হয় ওয়াশিংটনের।

অবশ্য ২০১৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দুই দেশের মধ্যে তিন দশক ধরে চলা শীতলাবস্থা ভেঙে ইরানের প্রেসিডেন্ট রুহানির সঙ্গে টেলিফোনে অালাপ করেন।

সূত্র- জাগো নিউজ

sentbe-top