sentbe-top

বাংলাদেশে ৪২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে জাপানি প্রতিষ্ঠান

bangladesh-economic-zoneবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে (মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও ফেনী) ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে জাপানভিত্তিক বৃহৎ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সুজিৎ করপোরেশন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশের এনার্জিপ্যাকের সঙ্গে যৌথভাবে এই অর্থ বিনিয়োগ করবে জাপানের এই প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এসংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও সুজিৎ করপোরেশনের মধ্যে। এই চুক্তির আওতায় বিনিয়োগকৃত অর্থ দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে একটি বন্দর স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে ৪০ হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজের জন্য বাণিজ্যিক বন্দর সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়া ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে জাহাজ চলাচলের পথ সুগম করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় একটি শিল্পপার্ক নির্মাণ করবে সুজিত্ করপোরেশন। এ ছাড়া বিনিয়োগকৃত অর্থে মিরসরাইয়ের পাশে একটি জেটি স্থাপন করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

বেজার পক্ষে নির্বাহী সদস্য হারুনুর রশীদ ও সুজিত্ করপোরেশনের পক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তা কেনকুরিবায়েশি এমওইউতে সই করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বাস্তবায়নবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম, নৌ-সচিব আবদুস সামাদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরুয়াসু ইজুমি, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাণিজ্যিক জেটি ও শিল্পপার্ক নির্মাণের কাজ শেষ হলে এক লাখ মানুষের কর্মস্থান হবে এবং এলপিজি, এলএনজি স্টোরেজ সুবিধার পথ সুগম হবে।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, সুজিত্ করপোরেশনের বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে বিদেশি বিনিয়োগে নতুন আরো একটি ক্ষেত্র উন্মোচিত হলো। এতে প্রমাণিত হয়, অর্থনৈতিক অঞ্চলের হাত ধরে বাংলাদেশ বিনিয়োগবান্ধব সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।

পবন চৌধুরী বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে অনস্টপ সার্ভিস সেন্টার স্থাপিত হবে। এটা হলে বিনিয়োগকারীদের সব সেবা এক ছাদের নিচে দেওয়া সহজ হবে।

নৌ-সচিব বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যত ধরনের সহযোগিতা দরকার নৌ মন্ত্রণালয় তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। উল্লেখ্য, সুজিত্ করপোরেশন জাপানের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য, ভারী পণ্য উৎপাদন, সেবা এবং প্রকল্প সমন্বয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

sentbe-top