
আলি লারিজানি ও বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলাম রেজা সোলাইমানি
ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানিকে হত্যা করেছে। একইসঙ্গে ইরানের আধাসামরিক বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলাম রেজা সোলাইমানিকেও হত্যার দাবি করছে দেশটি। তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য আসেনি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, লক্ষ্যভিত্তিক অভিযানে ইরানের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্বকে টার্গেট করা হচ্ছে এবং তাদের সক্ষমতা ধ্বংস করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে লারিজানির একটি হাতে লেখা নোট প্রকাশ করা হয়েছে, তবে সেটি তার জীবিত থাকার প্রমাণ কিনা তা স্পষ্ট নয়। নোটে তিনি সম্প্রতি মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের স্মরণ করেছেন।
যদি এই হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হয়, তাহলে এটি হবে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। এর আগে যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।
আলি লারিজানি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি একসময় দেশের পারমাণবিক আলোচনার নেতৃত্ব দেন এবং সংসদের স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আলাদাভাবে দাবি করেছে, তারা তেহরানে এক নির্দিষ্ট হামলায় গোলাম রেজা সোলাইমানিকে হত্যা করেছে, যিনি গত ছয় বছর ধরে বাসিজ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন। তবে এই দাবিও ইরান নিশ্চিত করেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন লক্ষ্যভিত্তিক হামলা প্রতীকী ও মানসিকভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তবে এতে ইরানের শাসনব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে ভেঙে পড়বে না।
বাসিজ বাহিনী ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অধীন একটি স্বেচ্ছাসেবী আধাসামরিক বাহিনী, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বিক্ষোভ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আল জাজিরা











































