
যুদ্ধ শুরুর সময় যে রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই গুরুত্ব হারিয়েছে
ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট ইন্সটিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো রস হ্যারিসন বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল মূলত সামরিক হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভর করছে, কিন্তু এর পেছনে পরিষ্কার কোনো রাজনৈতিক কৌশল দেখা যাচ্ছে না।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তারা মূলত সামরিক উপায় ও সামরিক সূচক দিয়ে সাফল্য মাপছে।
হ্যারিসন আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদে ওয়াশিংটনের লক্ষ্য কী—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তার ভাষায়, আমি নিশ্চিত নই রাজনৈতিকভাবে তারা কোথায় গিয়ে থামতে চায়। তারা কি সংঘাত আরও বাড়াতে চায়, নাকি ইরানের সামরিক শক্তিকে আরও দুর্বল করে পরে বিজয় ঘোষণা করে সরে যেতে চায়—এটা পরিষ্কার নয়।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ শুরুর সময় যে রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই গুরুত্ব হারিয়েছে।
হ্যারিসনের মতে, শুরুর দিকে বলা হয়েছিল এটি ইরানে শাসন পরিবর্তন এবং দেশটির মানুষের জন্য একটি ভালো ভবিষ্যৎ তৈরির প্রচেষ্টা। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সেই লক্ষ্যটিকে একপাশে সরিয়ে রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করতে প্রস্তাবিত বহুজাতিক নৌজোট নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, যুদ্ধের শেষ লক্ষ্য পরিষ্কার না থাকলে তা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
তিনি বলেন, কোনো স্পষ্ট শেষ পরিকল্পনা ছাড়া যুদ্ধ শুরু করা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াতে পারে।








































