
বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে রাজধানীর বুকে বসেছিল চীনা খাবারের রাজকীয় আসর। গেলো বুধবার বিকেলে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘চাইনিজ ফুড ফেস্টিভ্যাল’ দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
বাংলাদেশের খাদ্যপ্রেমীদের কাছে আসল বা ‘অথেনটিক’ চীনা স্বাদ পৌঁছে দিতে অংশ নেয় ঢাকার স্বনামধন্য বেশ কিছু চীনা রেস্তোরাঁ ও খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। উৎসবে স্টল সাজিয়ে বসেছিল বাংলাদেশে রেস্তোরা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যাম্বুশুট , পান্ডা ডাম্পলিং, ইউয়ানহাং ফুড সিটি, আইসল্যান্ড কফি হবনব অ্যান্ড তেপ্পানিয়াকি ঢাকা।
স্টলগুলোতে ঐতিহ্যবাহী ডাম্পলিং, নুডলস থেকে শুরু করে বিভিন্ন চীনা বিশেষ খাবার প্রদর্শিত ও পরিবেশন করা হয়। উৎসবের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিল চীনা খাবারের প্রস্তুত প্রণালী প্রদর্শন। রেস্তোরাঁগুলোর শেফ ও প্রতিনিধিরা দর্শকদের সামনে চীনা খাবার তৈরির কৌশল হাতে-কলমে তুলে ধরেন। চীনা রান্নায় ব্যবহৃত বিভিন্ন মসলা ও উপাদানের বিশেষত্ব এবং সেগুলোর স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য সাধারণ মানুষকে জানানো হয়। অনেক দর্শনার্থীকেই উৎসাহ নিয়ে চীনা শেফদের কাছে রান্নার গোপন কৌশল সম্পর্কে জানতে দেখা যায়।
বিকেল গড়াতেই উৎসবে ভোজনরসিকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। খাবারের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের এই মঞ্চটি দুই দেশের সৌহার্দ্যের কেন্দ্রে পরিণত হয়। দর্শনার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন চীনের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিয়েছে।
চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগের এই উদ্যোগ ও চীনা দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই ফেস্টিভ্যালটি শেষ হয় এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে।
অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বের যাত্রা গত পাঁচ দশকে রাজনীতি ও অর্থনীতির গণ্ডি পেরিয়ে এখন সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। এই ফুড ফেস্টিভ্যালের লক্ষ্য কেবল খাবার পরিবেশন নয়, বরং খাবারের মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে হৃদ্যতা বৃদ্ধি করা।










































