রবিবার । মে ৩১, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক দেশজুড়ে ৩১ মে ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ন
শেয়ার

শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু সোমবার: আইনমন্ত্রী


Asaduzzaman

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

ঢাকার পল্লবীতে বহুল আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার (১ জুন) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এ মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, “আমি কথা দিয়েছিলাম যে সরকারের হাতে যতটুকু সময় ও ক্ষমতা আছে, তার সঠিক প্রয়োগ করা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি আমরা পূরণ করেছি। এখন বাকি প্রক্রিয়াটি আদালতের এখতিয়ার। আদালতকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আগামীকাল সোমবার আদালত খোলার প্রথম দিনেই মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আদালতের কাছে আমরা সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করতে পারি। এরপর আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে এ মামলায় যেরকম জোরালো সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির জবানবন্দি রয়েছে, সেই বিবেচনায় আমরা দৃঢ়ভাবে মনে করি আদালত আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টিই বিবেচনায় নেবেন।”

এদিকে, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ বা মতামতের অগ্রগতি বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, তারা এখনো কোনো নাম বা মতামত দেননি। সর্বশেষ সংসদ অধিবেশনের আগে এই বিষয়ে কথা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা ১৭ সদস্যের একটি সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করতে চাই। যেখানে আমাদের পক্ষ থেকে সাতজন, অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচজন এবং বাকি পাঁচজন সদস্য বিরোধী দলের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে। বিরোধী দল জানিয়েছে যে তারা সামনের সংসদ অধিবেশনে নামগুলো জানাবে। আমরা তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। নামগুলো পেলেই আমরা জুলাই সনদের পথ ধরে সংবিধান সংশোধনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেব।”

এ ছাড়া মানবাধিকার আইন ও গুম কমিশন আইন প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “এই বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে প্রথম কনসালটেশন বা মতবিনিময় সভা সম্পন্ন করেছি। সেখান থেকে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ এসেছে, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। আমরা পর্যায়ক্রমে একটির পর একটি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করছি এবং বাস্তবতার নিরিখে যত দ্রুত সম্ভব এই আইনগুলোকে সামনের কাতারে নিয়ে এসে কার্যকর করা হবে।”