
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা শুরুর ১০ দিন পার হলেও দেশটিকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি তারা। উল্টো ইরানের পাল্টা হামলায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে, বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি।
এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর দেশি-বিদেশি চাপ বাড়ছে। তবে যুদ্ধের সমাপ্তি কীভাবে এবং কবে হবে—তা স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না তিনি।
মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে প্রকাশিত জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক প্রতিবেদক স্টিফেন কলিসনের এক বিশ্লেষণে ট্রাম্পের নীতির কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ট্রাম্প অতীতে কঠিন পরিস্থিতি থেকে যুক্তি ও কৌশলে বেরিয়ে এলেও ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে সেই কৌশল কাজ করছে না। যুদ্ধ শুরুর ১০ দিন পরও তিনি এর যৌক্তিক কারণ স্পষ্ট করতে পারেননি।
একদিকে ট্রাম্প শান্তি কাছাকাছি বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন, অন্যদিকে তাঁর প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা সতর্ক করছেন—যুদ্ধ আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, চলমান সংঘাতে শেয়ারবাজারে ধস ও তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বৃহত্তর যুদ্ধের আশঙ্কাও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে জনমত জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন জনগণ নতুন কোনো যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহী নয়। তাই ট্রাম্প সম্প্রতি আবারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কেন মার্কিন সেনারা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ করছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের উদ্দেশ্য ও কৌশল এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।







































