বৃহস্পতিবার । মার্চ ১২, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক বিজনেস ১২ মার্চ ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ন
শেয়ার

রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের চুক্তি


Nagad

রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের চুক্তি

প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ আরও দ্রুত, সহজে এবং নিরাপদে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে একীভূত হলো দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ এবং মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি। এখন থেকে প্রবাসীরা মিডল্যান্ড ব্যাংকের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সরাসরি প্রিয়জনের নগদ ওয়ালেটে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ।

এই চুক্তির ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে পাঠানো অর্থ মুহূর্তেই সুবিধাভোগীর নগদ অ্যাকাউন্টে জমা হবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা যেকোনো সময় এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন। এতে করে ব্যাংকিং আওয়ারের জন্য অপেক্ষা করার চিরাচরিত ঝামেলা দূর হবে।

অনুষ্ঠানে নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ জানান, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সাথে তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। গ্রাহকরা চাইলে এই অর্থ ডিজিটাল পেমেন্টে ব্যবহার করতে পারবেন অথবা দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা নগদের তিন লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকে সবচেয়ে কম খরচে ক্যাশআউট করে নিতে পারবেন। এই আধুনিক ও গতিশীল ব্যবস্থা দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমাদের ব্যাংক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে। নগদের বিশাল গ্রাহকভিত্তি ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রবাসীদের পরিবারকে আরও দ্রুত সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগের ফলে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলা টেলিগ্রাফ উদ্যোগের গল্প