শনিবার । মে ২, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক খেলা ২ মে ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ন
শেয়ার

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’-এর লোগো ও ট্রফি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


notun kuri sports logo opening

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন তারেক রহমান

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের কানায় কানায় পূর্ণ গ্যালারি আর খুদে ক্রীড়াবিদদের উৎসবমুখর উপস্থিতিতে আজ এক নতুন স্বপ্নের যাত্রা শুরু হলো। বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ঢাকার বাইরে থেকে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি শুরুর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় উদ্বোধনী ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয় সিলেটকে। একই সঙ্গে সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলো থেকেও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন কয়েক হাজার খুদে অ্যাথলেট।

আশির দশকের জনপ্রিয় মেধা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র আদলে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তৃণমূল থেকে আগামীর তারকা খুঁজে বের করতে চায় সরকার। মূলত ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের জন্য আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, দাবা ও অ্যাথলেটিক্সসহ মোট ৮টি ইভেন্ট থাকছে। এই আয়োজনে অংশ নিতে গত ১২ থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬৯৩ জন প্রতিযোগী রেজিস্ট্রেশন করেছেন, যার মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৪৯ জন ছেলে এবং ৪৬ হাজার ৭৪৪ জন মেয়ে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, নির্বাচনের ইশতেহার অনুযায়ী ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার ইতিমধ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়াভাতা চালু করেছে। আজ এই আয়োজনে আগামীর তারকাদের উৎসাহ দিতে ঢাকা থেকে ছুটে এসেছেন দেশের ৩২ জন খ্যাতনামা খেলোয়াড়, যারা এই কর্মসূচির ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে কাজ করছেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী নিজেই চেয়েছিলেন ঢাকার বাইরে থেকে এই তৃণমূলমুখী কার্যক্রমের সূচনা হোক।

পুরো প্রতিযোগিতাকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজন করা হবে। ১৩ থেকে ২২ মে-র মধ্যে আঞ্চলিক পর্বের খেলাগুলো শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি খেলায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী প্রশাসনিক কমিটি তদারকি করবে।

রেজিস্ট্রেশনের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকা অঞ্চল থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার ৩৮৭ জন এবং ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে সবচেয়ে কম ৭ হাজার ৯৬৬ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন। এই মহাযজ্ঞের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন যুগের সূচনা হবে বলে আশা করছে সরকার।