
ছবি: সংগৃহীত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জয়ের স্বাদ পেয়েও বিষাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো বার্সেলোনাকে। কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েও আসর থেকে বিদায় নিয়েছে জাভির শিষ্যরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দীর্ঘ ৯ বছর পর সেমি-ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বার্সেলোনা। প্রথম লেগের হার ঘুচিয়ে ম্যাচে ফিরতে মাত্র ৪ মিনিট সময় নেন তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল। তার গোলে লিড নেওয়ার পর ২৪ মিনিটে ফেররান তোরেস জালের দেখা পেলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সা। এই গোলের সুবাদে দুই লেগ মিলিয়ে ২-২ সমতায় ফেরে ম্যাচ।
বার্সেলোনা যখন ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই ৩১ মিনিটে গোল করে বসেন আতলেতিকোর আদেমোলা লুকমান। তার এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত দুই লেগ মিলিয়ে আতলেতিকোকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে রেখে সেমি-ফাইনালের পথ প্রশস্ত করে। পুরো ম্যাচে ৭১ শতাংশ বল দখলে রেখে ১৫টি শট নেয় বার্সা, যার ৮টি ছিল লক্ষ্যে। কিন্তু আতলেতিকো গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর অবিশ্বাস্য সব সেভে গোল ব্যবধান বাড়াতে পারেনি কাতালানরা।

ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়তা আরও বাড়ে। ৭৭ মিনিটে এরিক গার্সিয়া লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বার্সেলোনা। প্রথম লেগের মতো ফিরতি লেগেও শেষ ১৯ মিনিট ১০ জন নিয়ে লড়তে হয় তাদের। ১০ জন নিয়েও লেভানদোভস্কি ও আরাওহোরা সুযোগ তৈরি করেছিলেন, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মেলেনি।
ম্যাচটি ২-১ গোলে হারলেও সামগ্রিক ব্যবধানে এগিয়ে থেকে মেত্রোপলিতানোতে উল্লাসে মাতে দিয়েগো সিমিওনের দল। ২০১৫-১৬ মৌসুমের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে জায়গা করে নিল আতলেতিকো মাদ্রিদ। অন্যদিকে, ফিরতি লেগে দুর্দান্ত জয় পেয়েও প্রথম লেগের ঘাটতি পূরণ করতে না পারায় আক্ষেপ নিয়ে ইউরোপসেরার মঞ্চ থেকে বিদায় নিল বার্সেলোনা।









































