
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প || ফাইল ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান ‘অসদাচরণ’ করলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সামরিক হামলা চালাতে পারে।
গতকাল শনিবার (০২ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রস্তাবের ধারণা তাকে জানানো হয়েছে। তবে চূড়ান্ত খসড়া এখনও হাতে পাননি।
আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি শিগগিরই ইরানের পাঠানো সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করবেন। তবে এই প্রস্তাবের সফলতা বা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে তিনি গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এমন দাবি করেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইরান আমাদের কাছে যে পরিকল্পনা পাঠিয়েছে, আমি শিগগিরই তা পর্যালোচনা করবো। তবে আমি কল্পনাও করতে পারছি না যে এটি গ্রহণযোগ্য হবে; কারণ গত ৪৭ বছর ধরে মানবতা ও বিশ্বের সঙ্গে ইরান যা করেছে, তার জন্য তারা এখনো যথেষ্ট মূল্য দেয়নি।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরান-লেবাননে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি চুক্তি করতে এক মাস দিয়েছে তেহরান।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই চুক্তি হওয়ার পরই কেবল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য আরও এক মাস সময় বর্ধিত হবে, এমনটাই ইরান প্রস্তাব দিয়েছে।
মূলত, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ১৪ দফার একটি পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান।
ইরানের দেওয়া এই পরিকল্পনার কিছু উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে। যেমন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান করে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধ শেষ করা।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দুই মাসের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ইরান সেটি প্রত্যাখ্যান করেন এক মাসে আনার দাবি জানিয়েছে।
এই ১৪ দফার মধ্যে আরও রয়েছে, ভবিষ্যতে ইরানে আর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে না এমন গ্যারান্টি।
এছাড়াও ইরানের সীমান্ত এলাকা থেকে নৌ-অবরোধের অবসান, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্তি এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং মার্কিন সেনা প্রত্যাহার।
লেবাননে লড়াই বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি পরিচালনার জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর দাবিও জানিয়েছে ইরান।










































