
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের টাকা চুরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ তামিম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পারিশ্রমিক নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতির তথ্য সামনে এসেছে। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল নিজেই এই অর্থ নয়ছয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিসিবি থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য দৈনিক ৬৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কর্মীরা হাতে পাচ্ছেন মাত্র ৩০০ টাকা। তামিম ইকবাল জানান, বিসিবি সিরিজ চলাকালীন থার্ড পার্টির মাধ্যমে ক্লিনিং সেবা নেয়। নিয়ম অনুযায়ী ওই কোম্পানির নিজস্ব লোক দেওয়ার কথা থাকলেও তারা বিসিবির নিজস্ব ৩০-৪০ জন ক্লিনারকেই ব্যবহার করছে।
বিসিবির টাকা ওই কোম্পানির মাধ্যমে কয়েক হাত ঘুরে আসার সময় একটি বড় অংশ মাঝপথেই গায়েব হয়ে যাচ্ছে। কোম্পানির দাবি অনুযায়ী তারা ৫০০ টাকা দিলেও কর্মীদের হাতে পৌঁছাচ্ছে মাত্র ৩০০ টাকা। এই চুরির ঘটনায় জড়িত হিসেবে বিসিবির অভ্যন্তরীণ কিছু ব্যক্তির নামও ইঙ্গিত করেছেন তামিম।
পরিচ্ছন্নতার অভাব নিয়ে বিসিবি সভাপতি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, ফিনল্যান্ড থেকে আসা এক নারী দর্শক তাকে স্টেডিয়ামের ওয়াশরুমগুলোর বেহাল দশা নিয়ে অভিযোগ করেন।
তামিম দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, স্টেডিয়াম নির্মাণের পর থেকে বাথরুমগুলো আর সংস্কার করা হয়নি।
এই অমানবিক দুর্নীতির প্রতিকারে তামিম ইকবাল কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি কোম্পানিকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এখন থেকে প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়ার প্রমাণসহ বিল সাবমিট করলেই কেবল বিসিবি থেকে বিল ছাড় করা হবে।
বর্তমান সিরিজে ৩০ জন নারী কর্মীকে তামিমের সামনেই ৫০০ টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দরিদ্র কর্মীদের টাকা আত্মসাতের এই ঘটনাকে তিনি ‘অ্যাবসলিউটলি ননসেন্স’ বলে অভিহিত করেছেন।













































